রাজ্য সরকারের নির্দেশ মেনে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী ও রোহিঙ্গা সন্দেহে ধৃত ব্যক্তিদের রাখার জন্য রাজ্যের ১১টি স্থানে চালু করা হয়েছে বিশেষ ‘হোল্ডিং সেন্টার’। রাজ্য পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই কেন্দ্রগুলিতে বর্তমানে মোট ৩৮৬ জনকে রাখা হয়েছে। সরকারি নথি অনুযায়ী, উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট পুলিশ জেলার অধীন তিনটি শিবিরে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক আটক রয়েছেন। সেখানে থাকা অনুপ্রবেশকারীর সংখ্যা সাড়ে তিনশোর কাছাকাছি।
হাকিমপুর চেকপোস্ট উপস্থিত ৩০-৩৫ জন অনুপ্রবেশকারীকে আজ ‘হোল্ডিং সেন্টার’-এ নিয়ে যাওয়া হবে। বিএসএফ সূত্রে জানা গেছে, তিন দিন আগে ৩০ জনকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়। তারপর থেকে এখনও পর্যন্ত কাউকে পুশ ব্যাক করা হয়নি। ‘হোল্ডিং সেন্টার’-এ থাকা ব্যক্তিদের খুব শীঘ্রই নিজেদের দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে। হাকিমপুর চেক পোস্টের সামনে থাকা এক অনুপ্রবেশকারী জানিয়েছেন, আট দশ বছর আগে তিনি ভারতে প্রবেশ করেছিলেন।
উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় নির্দেশিকা অনুসারে বিদেশি নাগরিক বা পরিচয় নিয়ে সন্দেহ রয়েছে এমন ব্যক্তিদের চিহ্নিত করার পর তাঁদের নির্দিষ্ট হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হচ্ছে। পরবর্তী পর্যায়ে নাগরিকত্ব ও পরিচয় যাচাইয়ের কাজ সম্পন্ন করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
হোল্ডিং সেন্টারগুলিতে থাকা ব্যক্তিদের খাদ্য, চিকিৎসা এবং মৌলিক পরিষেবার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পরিচয় যাচাই এবং আইনি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।