কলকাতার তারাতলায় নির্মীয়মাণ গোডাউনের শেড ভেঙে বিপর্যয়ের ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে রাজ্য সরকার ১১ সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। ক্রীড়া ও যুব বিষয়ক দপ্তরের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব রাজেশ পান্ডে এই কমিটির নেতৃত্ব দেবেন। এছাড়াও আছেন অতিরিক্ত মুখ্য সচিব খলিল আহমেদ, বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি রাজেশ কুমার সিনহা, কলকাতা পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দা, পুর প্রশাসক স্মিতা পান্ডে প্রমুখ। কমিটি সাত দিনের মধ্যে রাজ্য সরকারের কাছে তাদের রিপোর্ট পেশ করবে।
এদিকে, ওই ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৫ । আহত ১৯ জন এস এস কে এম হাসপাতালে চিকিত্সাধীন।
তারাতলার ঘটনায় বিধায়ক এলাকা উন্নয়ন প্রকল্পের কন্ট্রোলিং অফিসার এবং কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের ‘অফিসার অন স্পেশাল ডিউটি’ কালীচরণ ব্যানার্জীকে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করেছে বিশেষ তদন্তকারী দল – সিট। এই নিয়ে গ্রেফতারি বেড়ে হল ৬। এর আগে আরও পাঁচ জনকে পুলিশ গ্রেফতার করে।
কলকাতা পুরসভার কাছ থেকে তারাতলার ঘটনায় তথ্য এবং নথি চেয়েছে লালবাজার। পুর আধিকারিকদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর পাশাপাশি উদ্ধারকাজও চলছে জোরকদমে।
এদিকে, তারাতলা বিপর্যয়ে উত্তর ২৪ পরগনার জগদ্দলের কদমতলার বাসিন্দা স্বপন মন্ডলের মৃত্যু খবরে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। জগদ্দলের বিধায়ক রাজেশ কুমার তার বাড়ি গিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
ওই গুদামে কতজন কাজ করছিলেন, পুলিশ তার কোনো সঠিক হিসাব এখনও পায়নি।