চলতি বছরের জুলাই মাস থেকেই কেন্দ্রের ‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্পের কার্ড, রাজ্যের মানুষের হাতে তুলে দেওয়া সম্ভব হবে বলে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জগৎ প্রকাশ নাড্ডার সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকের পর আজ নবান্নে মুখ্যসচিব মনোজ কুমার আগরওয়াল ও প্রধান উপদেষ্টা সুব্রত গুপ্তর সঙ্গে এক সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পূর্বতন সরকারের ‘স্বাস্থ্য সাথী’ প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত ৬ কোটির বেশি মানুষ সরাসরি আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের আওতায় আসবেন।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, আয়ুষ্মান ভারতের জন্য ৯৭৬ কোটি টাকা, কেন্দ্র বরাদ্দ করেছে। চলতি অর্থবর্ষে ‘ন্যাশনাল হেলথ মিশনে’র আওতায় এরাজ্যের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ২’হাজার ১০৩ কোটি টাকা, ইতোমধ্যেই ৫০০ কোটি টাকার বেশী রাজ্যের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে। কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে সমন্বয়ের অভাবে, স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের সুবিধা থেকে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ বঞ্চিত থেকেছেন বলে মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন। জুনের প্রথম সপ্তাহে দিল্লিতে মন্ত্রী, আধিকারিকদের উপস্থিতিতে ‘আয়ুষ্মান আরোগ্য মন্দির’ সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর হবে বলেও জানান তিনি।
এরাজ্যে ‘প্রধানমন্ত্রী জনৌষধী কেন্দ্র’-এর সংখ্যা, ১১৭ থেকে বাড়িয়ে ৪৬৯টি করার প্রস্তাব কেন্দ্রকে পাঠানো হয়েছে। এতে ওষুধ কেনার খরচ প্রায় ১০ গুণ কমে যেতে পারে বলে তিনি জানান।
রাজ্যে শিশু মৃত্যুর হার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে আগামী তিন মাসে স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া চালুর আশ্বাস দেন তিনি। আলিপুরদুয়ার, কালিম্পং, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং আসানসোলে মেডিকেল কলেজ গড়ার প্রস্তাব কেন্দ্রকে পাঠানো হবে। উত্তরবঙ্গে AIMS তৈরির জন্য পদক্ষেপ করা হবে বলেও জানান শ্রী অধিকারী।