সিকিমের নামচি জেলার সামারদাং-এ NHPC-র তিস্তা জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য নির্মীয়মাণ সুড়ঙ্গে বিস্ফোরণের জেরে ধসের ঘটনায় এপর্যন্ত ১৩ জনের মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। এর মধ্যে ১২ জনের দেহ গতকাল উদ্ধার হয়। আজ সকালে একটি মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। সুড়ঙ্গের মধ্যে এখনও ১২ জন আটকে রয়েছে বলে আশঙ্কা করা হয়েছে। মৃতদের মধ্যে অন্তত চারজন জলপাইগুড়ির বাসিন্দা। ত্রাণ ও উদ্ধারের কাজ চলেছে। তবে বিষাক্ত মিথেইন গ্যাস, অক্সিজেনের স্বল্পতা ও প্রতিকূল পরিবেশের করাণে এই উদ্ধার অভিযান অত্যন্ত কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রাজ্যের তরফে সিকিম প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রশাসনের আধিকারিকরাও দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ তদারকি করছেন। খনি বিপর্যয়ে প্রশিক্ষিত একটি দলকে আসানসোল থেকে সিকিমে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
আইজি নর্থ বেঙ্গল সুকেশ কুমার জৈন জানিয়েছএন, পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে।
রাজ্যপাল ওম প্রকাশ মাথুর ও মুখ্যমন্ত্রী প্রেম সিং তামাং গোলে গতকালই দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। মুখ্যমন্ত্রী দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে উচ্চ পর্যায়ের একটি তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন।
সিকিম প্রশাসনের তরফে মৃতদের পরিবারকে এককালীন চার লক্ষ ও আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ত্রাণ তহবিল থেকে এর আগেই মৃতদের পরিবার পিছু এককালীন ২’লক্ষ টাকা অর্থ সহায়তা ঘোষণা করা হয়।
এদিকে, রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল এবং মুখ্যমন্ত্রী, এই ঘটনায় গভীর শোক ব্যক্ত করেছেন।