সরকার চলতি বছরের ১লা আগস্ট থেকে ৩০শে নভেম্বর পর্যন্ত ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে চিনি মজুত রাখার নির্দিষ্ট সীমা (stock holding limits) আরোপ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। উপভোক্তা বিষয়ক, খাদ্য ও গণবণ্টন মন্ত্রক জানিয়েছে যে, এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো মজুতদারি ও ফাটকা কারবার রোধ করা এবং ন্যায্য মূল্যে চিনির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা।
মন্ত্রক জানিয়েছে, সকল চিনি ব্যবসায়ীকে তাদের কাছে থাকা চিনির মজুতের পরিমাণ ঘোষণা করতে হবে এবং প্রতি সপ্তাহে খাদ্য ও গণবণ্টন বিভাগের অনলাইন পোর্টাল foodstock.dfpd.gov.in-এ মজুত সংক্রান্ত তথ্য জানাতে হবে।
মন্ত্রকের মতে, মজুতদারি ও ফাটকা কারবারের ফলে চিনির দামে অপ্রয়োজনীয় অস্থিরতা দেখা দিয়েছে এবং মিল-গেট ও খুচরা—উভয় পর্যায়েই চিনির দাম বেড়েছে। তারা উপভোক্তাদের আশ্বস্ত করেছে যে, দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত পরিমাণ চিনি মজুত রয়েছে।