শিল্পোন্নয়নের লক্ষ্যে রাজ্যে সরকার শিল্পপতিদের অধঃস্তন কর্মী হিসাবে নয়, বরং অংশীদার হিসেবেই দেখবে। বিধানসভায় আজ শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তরের বাজেটের উপর আলোচনার জবাবি ভাষণে শিল্পমন্ত্রী তাপস রায় এই বার্তা দিয়ে বলেন, অতীতে শিল্পবান্ধব পরিবেশের অভাব, জমি নীতি, শিল্পনীতি ও ইনসেনটিভ ঘাটতির কারণে পশ্চিমবঙ্গ বিনিয়োগ হারিয়েছে। এবার সেই পরিস্থিতি বদলাতেই উদ্যোগী হয়েছে নতুন সরকার।
মন্ত্রী বলেন, সরকার ও শিল্পপতিদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থার সম্পর্ক গড়ে তোলাই এখন প্রধান লক্ষ্য। শিল্পপতি, উদ্যোক্তা এবং ব্যবসায়ী সংগঠনগুলিকে সরকারের অংশীদার হিসেবে নিয়ে কাজ করা হবে। অন্যান্য রাজ্য যে ধরনের শিল্পবান্ধব সুযোগ-সুবিধা ও উৎসাহ দিচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গও সেই পথেই এগোবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।
মন্ত্রী জানান, ইতিমধ্যেই মেজিয়ায় ১৫ হাজার কোটি টাকার এবং আমুলের ৭০০ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। পাশাপাশি মিৎসুবিশির বিনিয়োগের কথাও উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুর্গাপুর-আসানসোল, রানিগঞ্জ-পানাগড়, ব্যারাকপুর, হুগলি, চন্দননগর, বর্ধমান, হাওড়া-শেওড়াফুলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় নতুন শিল্প গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের শিল্পোন্নয়নের জন্যও পৃথক রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে।
শিল্প করিডর, লজিস্টিক হাব, গভীর সমুদ্রবন্দর, পরিবহণ ব্যবস্থার ডিজিটালিকরণ এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিকাঠামো গড়ে তোলার উপর জোর দেওয়া হচ্ছে বলেও তাপস রায় উল্লেখ করেন।