মহিলারা নেতৃত্ব দিলে দেশের উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হয় বলে মত প্রকাশ করেছেন জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন বিজয়া কিশোর রাহাতকর। কলকাতার ধনধান্য অডিটোরিয়ামে গ্রামীণ মহিলাদের আর্থ-সামাজিক ক্ষমতায়ন এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ‘সশক্ত সখী, সমৃদ্ধ ভারত’ শীর্ষক এক কর্মসূচির সূচনা করেন তিনি। শ্রীমতি রাহাতকার বলেন, পশ্চিমবঙ্গ সবসময় সামাজিক জাগরণ, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও মহিলাদের ক্ষমতায়নে দিশা দেখিয়েছে এবং কৃষি, মৎস্যচাষ, কুটির শিল্প সহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলার মহিলারা ক্রমশ এগিয়ে আসছে।
রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ, মাতঙ্গিনী হাজরা এবং প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার এর কথা উল্লেখ করে বলেন, চেতনা, সংঘর্ষ, লড়াই সর্বত্র রাজ্যের মেয়েরা এগিয়ে। বাংলায় বর্তমানে সাড়ে ১২ লক্ষ স্বনির্ভর গোষ্ঠী রয়েছে, গত এক বছরে যেসব গোষ্ঠী সক্রিয় ভাবে কাজ করেছে, তাদের সরকার সাড়ে তিন লক্ষ টাকা করে ঋণ দেবে।
পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী শান্তনু প্রামনিক অনুষ্ঠানে বলেন, বিকশিত ভারত এবং সোনার বাংলা গড়তে রাজ্যের মহিলাদের আত্মনির্ভর করে তোলাই তাদের মূল উদ্দেোশ্য।
পরে, কমিশনের চেয়ারপার্সন ন্যাশনাল লাইব্রেরির ভাষাভবনে ‘শি সার্ভস’ কর্মসূচির সূচনা করেন। দেশসেবা ও দেশের নিরাপত্তায় মহিলাদের অংশগ্রহণে উত্সাহিত করতে জাতীয় মহিলা কমিশন এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ১৬ থেকে ২৩ বছর বয়সী প্রায় ৭০০ জন স্কুল ও কলেজ পড়ুয়া এই কর্মসূচীতে অংশ নেন।
এর আগে সকালে কলকাতার ওয়েস্ট বেঙ্গল ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব জুরিডিক্যাল সায়েন্সেস-এ ‘ক্যাম্পাস কলিং’ কর্মসূচিতে পড়ুয়াদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি।