কোয়াড (Quad) বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক নতুনদিল্লিতে শেষ হয়েছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী ড. সুব্রমনিয়ম জয়শঙ্কর। উপস্থিত ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার বিদেশমন্ত্রী পেনি ওং, জাপানের বিদেশমন্ত্রী তোশিমিতসু মোতেগি এবং মার্কিন বিদেশমন্ত্রী মার্কো রুবিও।
বৈঠকের পর এক যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে ড. জয়শঙ্কর কোয়াড রাষ্ট্রগুলির মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করার পাশাপাশি অন্য দেশের সঙ্গে সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন।
ড. জয়শঙ্কর আরও বলেন, সামুদ্রিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে ওই এলাকায় নজরদারি ও সামগ্রিক পরিস্থিতি সম্পর্কে সজাগ থাকার পাশাপাশি, লজিস্টিকস নেটওয়ার্ক, ইন্টারনেট কেবল, প্রশিক্ষণ, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মানবিক সহায়তা ও দুর্যোগ প্রশমন কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এদিকে, মার্কিন বিদেশমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, ‘কোয়াড ক্রিটিক্যাল মিনারেলস ফ্রেমওয়ার্ক’, খনি ও প্রক্রিয়াকরণ এবং খনিজ পদার্থের পুনর্ব্যবহার সহ অন্যান্য ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সরবরাহ শৃঙ্খলকে শক্তিশালী করতে এই চার দেশ বদ্ধ পরিকর। তিনি বলেন, ভারত প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি নিরাপত্তার বিষয়ে কোয়াডের এই উদ্যোগ আঞ্চলিক জ্বালানি স্থিতিস্থাপকতাকে আরও শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে। তিনি জানান, চলতি বছরের শেষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কোয়াড দেশগুলিকে সঙ্গে ‘ফুয়েল সিকিউরিটি ফোরাম’ সংক্রান্ত এক সম্মেলনের আয়োজন করবে।
অন্যদিকে, জাপানের বিদেশমন্ত্রী তোশিমিতসু মোতেগি বলেন, হরমুজ প্রণালীতে মুক্ত ও নিরাপদ নৌচলাচল নিশ্চিত করার পাশাপাশি পশ্চিম এশিয়ায় স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার গুরুত্বের ওপর জোর দেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন।
তবে অস্ট্রেলিয়ার বিদেশমন্ত্রী পেনি ওং বলেছেন, কোয়াড দেশগুলি জ্বালানি নিরাপত্তা এবং গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সহ বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য সরবরাহ শৃঙ্খল অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্থিতিশীলতার জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।