বহু সংখ্যক নতুন উপভোক্তাকে যুক্ত করে আগামী ১৭ অগস্ট, পশ্চিমবঙ্গে ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’র তৃতীয় পর্যায়ের অর্থ প্রদান শুরু হবে।
নবান্নে গতকাল নারী ও শিশু বিকাশ এবং সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী মালতী রাভা রায়, পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালকে সঙ্গে নিয়ে এক সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, এরপর প্রতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে যোগ্য উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানোর লক্ষ্য নিয়েছে সরকার। দীর্ঘ যাচাই-বাছাইয়ের পর এবার প্রকৃত উপভোক্তাদের ৯৯ শতাংশকে প্রকল্পের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার জন্য বেশ কিছু নিয়ম ও শর্ত’ও বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, স্থায়ী কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারি কর্মী, সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মী বা তাঁদের পরিবার, এই প্রকল্পের আওতার বাইরে থাকবে।
তবে, চুক্তিভিত্তিক ও অস্থায়ী কর্মীদের পরিবারের ক্ষেত্রে এই শর্ত প্রযোজ্য হবে না।
গ্রামীণ এলাকায় তিন কক্ষ বিশিষ্ট বাড়ি থাকার শর্ত সম্পূর্ণ তুলে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া’ও গ্রামীণ ও অধিকাংশ পৌর এলাকায় জমির পরিমাণ সংক্রান্ত বিধিনিষেধও শিথিল করা হয়েছে। শুধুমাত্র সাতটি কর্পোরেশন এলাকায় ৫০ ডেসিমেলের বেশি জমির মালিকদের ক্ষেত্রে আগের শর্ত’ই বহাল থাকবে।
বিশেষভাবে সক্ষম মহিলারা, দিব্যাঙ্গ ভাতা এবং অন্নপূর্ণা যোজনা- দুটি প্রকল্পের’ই টাকা পাবেন। ‘প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি’র প্রাপকদেরও একইসঙ্গে দুটি ভাতাই দেওয়া হবে। ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সী যেসব মহিলা বিধবা ভাতা সহ অন্য সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পে ৩’হাজার টাকার কম ভাতা পান, তারা শুধুমাত্র অন্নপূর্ণা যোজনা’র টাকাই পাবেন। প্রকল্প সংক্রান্ত যেকোনো অভিযোগ জানানোর জন্য, পৃথক একটি পোর্টাল চালু করা হবে বলে মুখ্যমন্ত্রী জানান।