পরীক্ষায় দুর্নীতি ও কারচুপি রোধে লোকসভায় আজ ‘পাবলিক এক্সজামিনেশনস্ প্রিভেনশন অফ আনফেয়ার মিন্স সংশোধনী বিল’ পাশ হয়েছে। ২০২৪-এর এসংক্রান্ত আইনের সংশোধনীর সংস্হান রয়েছে এই বিলে। এছাড়াও, দোষীদের ১০ বছরের কারাদন্ড, ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা এবং তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে এতে। মামলার তদন্ত দ্রুত শেষ করার লক্ষ্যে প্রত্যেক রাজ্য সরকার এবং
কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের প্রশাসনকে প্রশ্নফাঁস সংক্রান্ত মামলার প্রাত্যহিক শুনানির জন্য বশেষ ফাস্ট ট্র্যাক আদালত স্থাপনের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। থানায় অভিযোগ দায়ের হওয়ার দিন থেকে পরবর্তী দুমাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে হবে। চার্জশিট জমা পরার তিন মাসের মধ্যে যাতে বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়, এই বিলে তাও সুনিশ্চিত করার বিধান রয়েছে ।
বিল নিয়ে আলোচনার জবাবী ভাষণে কর্মীবর্গ, জন অভিযোগ ও পেনশন দফতরের মন্ত্রী ডক্টর জিতেন্দ্র সিং বলেন, সংশ্লিষ্ট আইনকে আরও কঠোর করা এবং দ্রুত ন্যায় বিচার সুনিশ্চিত করার লক্ষে এই সংশোধনী বিল আনা হয়েছে। নতুন এই বিল ছাত্র-ছাত্রী ও যুব সমাজের কল্যাণ সুনিশ্চিত করার জন্য সরকারের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।
তিনি আরো বলেন, এর আগেও বিভিন্ন রাজ্যে বিভিন্ন সরকারের আমলে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটেছে। তারপরেও ছাত্রদের কথা না ভেবে বিরোধীরা এই নিয়ে রাজনীতি করছে।
এর আগে আলোচনায় অংশ নিয়ে লোকসভায় বিরোধী দলনেতা, কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী বলেন, বর্তমানে দেশের শিক্ষার খরচ অনেকটাই বেড়ে গেছে। নীট–ইউজি পরীক্ষায় যে পরিমাণে টাকা খরচ করা হয়, তা শিক্ষাখাতে বাজেট বরাদ্দের তুলনায় অনেকটাই বেশী। ছাত্র-ছাত্রীদের বিক্ষোভ হিংসাত্মক বা বিদ্বেষমূলক ছিল না। তা’ ছিল তাদের গভীর অনুভূতির প্রতিফলন। সমস্ত রাজনৈতিক দলের উচিত তাদের সেই অনুভূতিকে সম্মান দেওয়া।