জঙ্গিদের নিরাপদ যাতায়েতের পথ হিসেবে এরাজ্যের মাটিকে আর ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না বলে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন।
সাম্প্রতিক কালে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে সন্দেহভাজন জঙ্গি গ্রেফতারের ঘটনার প্রেক্ষিতে নবান্নে আজ সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আগে এই ধরনের কার্যকলাপ চললেও পশ্চিমবঙ্গ পুলিশকে কার্যকর পদক্ষেপ করতে দেওয়া হতো না। এখন রাজ্য ও কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলির সমন্বিত অভিযানের ফলে একের পর এক জঙ্গি ধরা পড়ছে।
উত্তর ২৪ পরগণার বনগাঁয় ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে পাক গুপ্তচর সন্দেহে ধৃত রানা রাউফ ওরফে ওয়াহাব আলম এবং কলকাতার তপসিয়া থেকে ধৃত তার সহযোগী মহম্মদ ইজাজকে আজ বারাসাত আদালতে তোলা হলে ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজত হয়েছে।
আদতে পাকিস্তানের নাগরিক রাণা, ২০১২ সালে নেপাল হয়ে ভারতে এসেছিল বলে জানা গেছে। ভুয়ো আধার ও ভোটার কার্ড সহ বেশ কয়েকটি পরিচয় পত্র’ও বানিয়েছিল সে। এই কাজে তাকে সাহায্য করেছিল ইজাজ। পাক গুপ্তচর সংস্থা ISI-এর সঙ্গে এদের দুজনেরই যোগাযোগ ছিল বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। ভারতীয় সেনা বাহিনী এবং দেশের রেল পরিকাঠামো সংক্রান্ত তথ্য, রাণা পাকিস্তানে পাচার করতো বলে অভিযোগ। গোপন খবরের ভিত্তিতে হাবড়া থেকে ওয়াহাবকে এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ইজাজকে গ্রেপ্তার করে রাজ্য পুলিশের এস টি এফ।
এর আগে গতমাসেই বর্ধমানের রেনেসাঁ আবাসন থেকে জঙ্গী সন্দেহে হামিম মন্ডল নামে এক যুবককে STF গ্রেপ্তার করে।