July 16, 2026 10:42 AM

printer

কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ১ লক্ষ ২৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে সেমিকন টু পয়েন্ট ও  প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ১ লক্ষ ২৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে সেমিকন টু পয়েন্ট ও  প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে। ভারতের সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইন ও উৎপাদন ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে গতকাল মন্ত্রিসভা বৈঠকের পর নতুন দিল্লিতে সাংবাদিক্ সম্মেলনে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এ কথা জানান।  

পাশাপাশি মন্ত্রিসভা ৬২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বাজেটের মোবাইল ফোন উৎপাদন প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে। শ্রী বৈষ্ণব জানান, এই প্রকল্পটি আগামী ৫ বছর ধরে বাস্তবায়িত হবে। তিনি জানান যে, এই প্রকল্পের আওতায় দেশে মোবাইল ফোন উৎপাদনের ক্ষেত্রে যোগ্য বিক্রয়ের ওপর ২ দশমিক ২/৫ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশ পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। এর মাধ্যমে প্রায় ৬০ হাজার মানুষের জন্য প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টিরও আশা করা হচ্ছে। বাইটঃ বৈষ্ণব মোবাইল

কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা উত্তরপ্রদেশের ১৯ নম্বর জাতীয় মহাসড়ক এবং বারাণসী রিং রোডের মধ্যে ৪৬ কিলোমিটারেরও বেশি দীর্ঘ ৬-লেনের একটি গ্রিনফিল্ড এলিভেটেড করিডোর নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছে। 

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানান, ১৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকারও বেশি ব্যয়ে তৈরি এই প্রকল্প ১৯ জাতীয় মহা সড়ক ও বারাণসী রিং রোডের মধ্যে নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ স্থাপন করবে। এর ফলে শহরের যানজট উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে এবং যাতায়াত ব্যবস্থা উন্নত হবে। এর ফলে প্রকল্প-সংলগ্ন এলাকায় যাতায়াতের গড় সময় প্রায় ৬০ মিনিট থেকে কমে ২০ মিনিটে নেমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই প্রকল্পের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হবে।

এছাড়াও মন্ত্রিসভা উত্তরপ্রদেশের বারাণসী শহরের যানজট নিরসনের লক্ষ্যে বরুণা নদীর পাশ দিয়ে ৩১ নম্বর জাতীয় মহা সড়ক এবং বারাণসী রিং রোডকে সংযুক্তকারী ৪৩ কিলোমিটারেরও বেশি দীর্ঘ ৬/৪-লেনের একটি এলিভেটেড করিডোর নির্মাণেরও অনুমোদন দিয়েছে। এই প্রকল্পের মোট ব্যয়

১০ হাজার ৯৯৮ কোটি টাকারও বেশি। এই প্রকল্প ৩১ নম্বর জাতীয় মহাসড়ক এবং কাশী রেলস্টেশনের মধ্যে যাতায়াতের সময় প্রায় ৪০ মিনিট থেকে কমিয়ে ২০ মিনিটে নিয়ে আসবে।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ওড়িশার পারাদ্বীপ- হরিদাসপুর অঞ্চলের ডাবল লাইন এবং ঝাড়খন্ডের রাজখারসাওয়ান-ডাঙ্গোয়াপসি চতুর্থ লাইন নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছে। এতে মোট আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৩,৯০৭ কোটি টাকা এবং ২০৩০-৩১ সালের মধ্যে এগুলোর কাজ সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এছাড়া মন্ত্রিসভা আত্মনির্ভর ভারতের লক্ষ্যে ইউরিয়া-২০২৬ বিষয়ক জাতীয় বিনিয়োগ নীতি NIPU-2026 এর অনুমোদন দিয়েছে। এই নীতির মূল উদ্দেশ্য হলো দেশে গ্যাস-ভিত্তিক ইউরিয়া উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে ইউরিয়া ক্ষেত্রে নতুন বিনিয়োগকে উৎসাহিত করা।