উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ তৈরি করতে পাঁচটি ‘এডু-সিটি’ গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্য সরকার। বিধানসভায় আজ উচ্চশিক্ষা দপ্তরের বাজেটের উপর আলোচনার জবাবি ভাষণে উচ্চশিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় জানান, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে এই শিক্ষা নগরীগুলি গড়ে তোলা হবে।
তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের নির্দেশিকা কঠোরভাবে কার্যকর করা হবে। প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ছাড়া কোনও শিক্ষককে স্নাতকোত্তর স্তরে পাঠদানের অনুমতি দেওয়া হবে না। যোগ্য অতিথি শিক্ষকদের সাম্মানিক বৃদ্ধির প্রস্তাবও অর্থ দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
বেসরকারি বি.এড., আইন, ফার্মাসি, পলিটেকনিক ও আইটিআই প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও কড়া নজরদারির কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, জাতীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ করলে তবেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে অনুমোদন মিলবে।
মেধাবী পড়ুয়াদের উৎসাহ দিতে বিশ্বের প্রথম ১০০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়া ছাত্রছাত্রীদের জন্য স্বামী বিবেকানন্দ বৃত্তি চালুর ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি কন্যাশ্রী প্রকল্পে এককালীন ৫০ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তা ধাপে ধাপে দেওয়ার প্রস্তাবও রয়েছে। ছাত্রঋণ প্রকল্পে ইতিমধ্যেই আড়াই লক্ষ আবেদন জমা পড়েছে, যার মধ্যে প্রায় ১ লক্ষ ১০ হাজার আবেদন অনুমোদিত হয়েছে বলেও বিধানসভায় জানান উচ্চশিক্ষামন্ত্রী।