আগামীকাল দোলযাত্রা এবং রঙের উৎসব হোলি। পঞ্জিকা মতে আজ সকালেই শুরু হয়েছে পূর্ণিমা তিথি। চলবে আগামীকাল সকাল পর্যন্ত। আজ সারাদিন পূর্ণিমা থাকায় বিভিন্ন মন্দির ও বাড়ি বাড়ি বিশেষ পূজাপাঠের আয়োজন করা হয়েছে। এদিকে, আজ থেকেই রং-এর উৎসবে মেতে উঠেছেন সমাজের সর্বস্তরের মানুষ। স্কুল কলেজ অফিস কাছাড়িতে আগামীকাল ছুটি, তাই আজই পড়ুয়া, শিক্ষক শিক্ষিকা এবং অফিস কর্মীরা মেতে ওঠেন আবির খেলায়।
নদীয়ার নবদ্বীপ, মায়াপুর ও শান্তিপুরে দোল উৎসব এবং শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর আবির্ভাব উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে। মায়াপুরে ইসকন মন্দির ও শ্রী চৈতন্য মঠের পাশাপাশি নবদ্বীপে সোনার গৌরাঙ্গ, সমাজবাড়ি, গৌড়ীয় মঠ ও প্রাচীন মায়াপুরের বিভিন্ন মঠ মন্দিরে ভীড় জমিয়েছেন বহু মানুষ। বিভিন্ন স্থানে বসেছে মেলা।
এদিকে, দোল-এর আগে আজ সন্ধ্যায় আয়োজন করা হচ্ছে নেড়া পোড়া বা চাঁচড়-এর। অশুভ শক্তির বিনাশ ঘটিয়ে শুভ শক্তির জয়ের প্রতীক স্বরূপ পালিত হয় এই ন্যাড়া পোড়া বা হোলিকা দহন।
রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রধান কার্যালয় বেলুড় মঠে এই ন্যাড়াপোড়া দেখতে বহু ভক্ত সমাগম হয়েছে। জলপাইগুড়ির রামকৃষ্ণ আশ্রমেও আজ সন্ধ্যায় হোলিকা দহনের আয়োজন করা হয়েছে, যার মধ্যে দিয়ে সূচনা হবে দোল উৎসবের।
শান্তি নিকেতনের আদলে শিলিগুড়ি কলেজে আজ পালন করা হয় বসন্ত উৎসব। ছাত্র ছাত্রছাত্রীরা রংবেরং-এর আবির নিয়ে মেতে ওঠেন উৎসবে।
ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের পেট্রাপোলে আজ ‘ল্যান্ড পোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়া’, শুল্ক ও BSF-এর যৌথ উদ্যোগে পেট্রাপোল সীমান্তে এই প্রথম বসন্ত উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।